থানায় দায়ের করা অভিযোগের নথিসুত্রে ও ছয়ঘরিয়া মাধবকাটি গ্রামের মৃত মান্দার সরদারের ছেলে আলম সরদার জানান, তার বাড়ির পাশে নিজস্ব পুকুরে দীর্ঘদিন মাছ চাষা করে আসছিল। হঠাৎ ১৫ ডিসেম্বর ভোর রাতে তার পুকুরে কে বারা কারা বিষ প্রয়োগ করে। এতে এক থেকে দেড় কেজি ওজনের রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা যায়। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন তার প্রতিপক্ষ একই এলাকার গফ্ফার খোকনের পুত্র কামরুল ইসলাম, একই গ্রামের মৃত রাজ্জাকের পুত্র আনার আলী ও তার ছেলে মোঃ কবির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাদের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছেন। তিনি আরও বলেন, বিষ প্রয়োগের কারন কামরুল ইসলাম, আনার আলীর কাছে জিঙ্গাসা করলে তারা বিষ প্রয়োগের কথা স্বীকার করে বলেন তোদের কাছে বসত ভিটার জমি পাবো। যতদিন দখল না ছাড়বি ততদিন এমন ক্ষতি হবে মনে রাখিশ। বেশি বাড়াবাড়ি করলে পুকুরের মাছের মত তোদেরকেউ মাডার করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমদি দেয় সন্ত্রাসী কামরুল ও তার দলবল। এঘটনার পরপরি তাদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ করলে থানা থেকে দারগা তদন্তে আসলেও মামলা গ্রহন না করে গরিমশি করছে। ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ মামলা না নিয়ে কালক্ষেপন করছেন। এ বিষয়ে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভূক্তভোগী পরিবারটি।
ভূক্তভোগী আলম সরদারের ভাতিজা প্রভাষক মোঃ কামাল হোসেন ও তার ভাই সাংবাদিক মোঃ রানা হোসেন জানান, কামরুল এক জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে চাঁদাবাজি করে। পাশ্ববর্তী বলাডাঙ্গা গ্রামের সমাজ সেবক মুকুল সরদার। তারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না থাকলেও তার নিকট থেকে আকড়াখোলা বাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেয় এই কামরুল। ঘটনাটি সবার মূখে মুখে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি শামিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে। তবে তাদেরকে বলা হয়েছে মামলা নয় এ ঘটনায় একটি জিডি করতে।