আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ সূষ্ঠু,শান্তিপূর্ণ, ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে যশোরের ঝিকরগাছা থানা পুলিশের উদ্যোগে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ অক্টোবর রবিবার সকাল ১০ টায় থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া হাসানের সভাপতিত্বে থানা চত্বরে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোরের নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ আরিফ হোসেন। তিনি আসন্ন দুর্গোৎসবে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা, যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভাপতির ভাষনে থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিটি পূজা মণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন রাখার জন্য পূজা উদযাপন কমিটির প্রতি আহ্বান জানান।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আশরাফুল আলম রানার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক জ্যৈষ্ঠ রাজনীতিবিদ মোর্তজা এলাহী টিপু , উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম খান, ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদুন্নবী মুরাদ।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সোহাগ, পৌর বিএনপির সভাপতি রুহুল আমিন সুজন,পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মীর আফরোজ মনা, উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি শেখ রকিম আহমেদ , উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু দুলাল অধিকারী প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সবাই মিলেমিশে উৎসবমুখর পরিবেশে এই ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। যেকোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়।
অনুষ্ঠানে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সুষ্ঠু ও সশৃঙ্খলভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে থানা পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জসি, দপ্তর সম্পাদক, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক কে এম ইদ্রিস আলী সহ প্রেসক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ,স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।