★ভারী হচ্ছে আয়ুব হোসেনের অপরাধের পাল্লা।
★আশ্বাস: দোষী প্রমাণিত হলেই দল থেকে বহিষ্কার।
সরকার পতনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পুলিশহীন মাঠে এক শ্রেণীর সুযোগসন্ধানী দুষ্কৃতিকারীরা সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া এক সাংবাদিকের উপর হামলা চালায়। এসময় দুর্বৃত্তরা তার ব্যবহারিত স্বর্ণের আংটি জোরপূর্বক নিয়ে নেয়।
শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর ২ টার সময় মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথিমধ্যে ওই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মুজিবর রহমানের পুত্র তারিক মনোয়ারের উপর ০২ নং পারুলিয়া ইউনিয়নের ০৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক গাজীর পুত্র আইয়ুব হোসেনের নেতৃত্বে আঃ রাজ্জাক সরদারের পুত্র কেবিএ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাদকাসক্ত অহেদ আলী, সাবেক ওয়ার্ড ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক সাজিদ মাহবুব, ৩নং ওয়ার্ড আ’লীগের দোসর রফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ কর্মী আব্দুল গফফার, মুজাফফর, কবুতর ব্যবসায়ী রিপন, মহব্বত সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিক তারিক মনোয়ারের উপর ফিল্মি স্টাইলে আক্রমণ করে। শুধু আক্রমণে থেমে থাকেনি সন্ত্রাসীরা, একপর্যায়ে সাংবাদিক তারিক মনোয়ারের নিকট তার ব্যবহৃত স্বর্ণের আংটি (যার আনুমানিক মূল্য ৩৫ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়।
একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদেরকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, তারিক মনোয়ার দৈনিক রুপসাঞ্চল, প্রতিদিনের স্বদেশ, বিজয়ের বাণী পত্রিকার দেবহাটা উপজেলা প্রতিনিধি এবং দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক।
ভুক্তভোগীর পরিবার প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনার সময় কাছে থাকা ব্যবহৃত স্বর্ণের আংটি (যার আনুমানিক মূল্য ৩৫ হাজার টাকা) সন্ত্রাসীরা মারপিট করার একপর্যায় নিয়ে নেয়। এ সময় তারিক মনোয়ারের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী তারিক মনোয়ারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে এবং আমার ব্যবহারিত স্বর্ণের আংটি ওরা নিয়ে নেয়। তিনি আরও বলেন, আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। কিন্তু এখনো আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমি প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগীতা কামনা করছি।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী স্থানীয় বিএনপি নেতা আইয়ুব হোসেন। মূলত তার নেতৃত্বেই এই হামলা সংগঠিত হয়েছে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ভুক্তভোগীদের হসপিটালে চিকিৎসা নিতে বলেন।
সংবাদ প্রচারের স্বার্থে উক্ত বিষয় নিয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে যোগাযোগ হলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের সাথে উনাদের কথা হয়েছে। উক্ত ঘটনায় কেউ যদি অভিযোগ দায়ের করেন আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যেকোনো ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা করতে।