ঈদ পুনর্মিলনীর নামে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারন মানুষ নিমন্ত্রণ করে প্রায় ১ঘন্টার মত বক্তব্য দিয়ে দুপুরের খাবার বিকাল ৪টায় পরিবেশন করায় এবং খাবারের মান ভালো না হওয়ার ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আগন্তুক মেহমানরা। গরম ও দীর্ঘ সময়ের প্রোগ্রামে ক্ষুধার্ত জনগণ দীর্ঘ সময়ে বক্তব্য রাখার কারণে হৈচৈ শুরু করে। এরপর খাবার বিতরণ শুরু হলে সেখানেও ছিল না কোনো শৃঙ্খলা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন দাওয়াত করে আমাদের পুরুস্কারের জায়গায় তিরস্কার করা হলো। ১১টায় আশাশুনির চাপড়ায় প্রোগ্রাম শুরু করে দুপুরে খাবার বিকাল ৪টার পর বিতরণ করাটা নিছক হয়রানি ছাড়া কিছু না।
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব গাউসুল হোসেন রাজের এমন কর্মকান্ড ভালোভাবে নেননি উপস্থিত অতিথিরা। তার কর্মকান্ডে অসন্তোষ প্রকাশ করে তার সকল প্রোগ্রাম বর্জন করার আহ্বান জানান তারা। এছাড়া সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপিকে নিয়ে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় বাক্য ব্যবহারের কথাও সেখানে কেউ কেউ উল্লেখ করতে থাকে। আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিণত হওয়া এ রাজের বিরুদ্ধে তার অপচ্ছন্দের মানুষকে চোর সাজিয়ে মারপিটের পরে পুলিশে সোপর্দ করার অভিযোগ আছে। কথিত আছে হঠাৎ বড়লোক বনে যাওয়ায় তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অন্যায়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের পরিচয় বহন করে অফ-সিজনে তার অবৈধ বাগদার পোনার ব্যবসা চালিয়ে নিলেও সময়ের সাথে সাথে এখন বিএনপি সেজেছেন তিনি।
এ বহুরুপী রাজের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। বলতে শোনা যায় তিনি স্বার্থের বাহিরে কিছুই করেন না। বিগত নির্বাচনের সময় তিনি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের জন্য একটি কম্পিউটার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটে ফেল করায় তা ভুলে গেছেন তিনি।