প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কপোতাক্ষ থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
/ ৩৬৩
Time View
Update :
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
Share
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদী থেকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কপোতাক্ষ নদী থেকে প্রকাশ্যে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালি উত্তোলনকারী ফয়জুল ইসলাম গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। তিনি মূলত ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবারকে বেছে নিয়ে নিয়মিতভাবে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে বালি উত্তোলন করছেন।
বালি উত্তোলনকারী ফয়জুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
উত্তোলিত বালি বড়দল মেইন রোডের পাশে গ্রামীণ ব্যাংকের নিকট অবস্থিত শুকুর আলী গাজীর ভরাট কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা গেছে, শুকুর আলী গাজী (পিতা– ইব্রাহিম গাজী) উক্ত ভরাট কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করার চুক্তি হয়েছে।
এভাবে অবাধে ড্রেজিং করে বালি উত্তোলনের ফলে আশপাশের জমি ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অবৈধভাবে বালি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে বড়দল ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলেন না। তবে বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং দ্রুত লোক পাঠিয়ে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এদিকে নদী থেকে এভাবে বালি উত্তোলনের ফলে নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, অবৈধ বালি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীপাড় সংলগ্ন বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।
স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং অবৈধ বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।