বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
Notice :
দৈনিক সাতক্ষীরার তথ্য

আশাশুনিতে এনজিও কর্মকর্তাদের দায়িত্বে গাফিলতি; অধিকাংশ সময়ে দায়সারা প্রোগ্রাম

লিংকন আসলাম,আশাশুনি / ১৭০ Time View
Update : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

 

আশাশুনিতে প্রায় অর্ধশতাধিক এনিজিওর অফিস থাকলেও তাদের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গাফিলতিতে হয় দায়সারা প্রোগ্রাম। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিয়মের দিকনির্দেশনা থাকলেও তড়িঘড়ি করে দায়সারা ভাবে একের পর এক চলছে দায়সারা নিয়মের প্রোগ্রাম।‌ নেই কোনো সময় সীমা।র‌্যালী ও আলোচনা সভা না করে ফটোসেশন শেষ করেই হয় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।একই দিনে একাধিক প্রোগ্রাম থাকলে শুধু ফটোসেশন করেই শেষ হয় দিনের কার্যক্রম ।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সাথে করা হয় প্রতারণা। তাদের বাজেট অনুযায়ী নাস্তা, লাঞ্চ এবং পথ খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও এনজিও কর্মীদের যোগসাজশে খোয়া যাচ্ছে তাদের প্রাপ্য অধিকার। দেওয়া হয়না বাজেটের সঠিক অর্থ।অনুসন্ধান করে দেখা গেছে দায়সারা প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে এনজিও কর্মকর্তারা নিজেরাই হয়ে যায় রিপোর্টার।

তারা তাদের ফটোসেশনের ছবি উঠিয়ে সাংবাদিকদের অগোচরে নিজেরাই ফেসবুক সহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে প্রোগ্রাম সফল ভাবে হয়েছে মর্মে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকের চোখের আড়ালে এমন অপকর্ম করে পার পেয়ে যায়। স্থানীয় একাধিক সাংবাদিক জানান আশাশুনিতে এনজিওর কর্মকর্তারা তাদের অধিকাংশ প্রোগ্রাম আমাদের আড়ালে করে। আমরা খোঁজ খবর নিলেই তারা বলে প্রোগ্রাম শেষ হয়ে গেছে। পরবর্তীতে খোঁজ নিলে জানা যায় তারা নাম মাত্র ফটোসেশন করেই চলে আসে। মাঝে মাঝে হঠাৎ এনজিও কর্মকর্তারা অচেনা জায়গার ছবি হোয়াটসঅ্যাপে বা মেইলে দিয়ে বলে ভাই উমুক প্রোগ্রাম হয়েছে নিউজ টা করে দিয়েন আগামীকাল পেপার কাটিং লাগবে, অফিসে পাঠাতে হবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনজিওর প্রোগামে অংশগ্রহণ করতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান তাদের ঠিকমত অনুষ্ঠানের যে বাজেট থাকে সেটা দেওয়া হয় না। সঠিক প্রাপ্য বাজেটে অর্থ বুঝে পেতে চাইলে তাদের দেওয়া হয় হুমকি।

বলা হয় পরবর্তীতে প্রোগ্রামে আর ডাকা হবে না, তোমাদের পরিবর্তে আমরা সৈই করে অনারিয়াম উঠিয়ে নেবো। হুমকির কবলে পড়ে অসহায় ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিবাদ করতে ভয় পেয়ে চুপ হয়ে যায়। এ বিষয়ে এনজিও সমন্বয়কারী সুশান্ত কুমার মল্লিকের কাছে রুপান্তর এনজিওর পলিথিন বর্জনের অনুষ্ঠানে খাবারের প্যাকেটে একাধিক পলিথিন ব্যবহার করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেই চলে আসছিলাম। আপনি রুপান্তর এনজিওর দায়িত্বরত কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। এনজিওর প্রোগামে ফটোসেশন সহ একাধিক প্রশ্ন করলে তিনি মোটরসাইকেলে আছেন,পরে যোগাযোগ করবেন বলে ফোন বন্ধ করে রাখেন।রুপান্তরের অনুষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া জানান খাবারের প্যাকেটে একাধিক পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে আমি দেখার সময় পাইনি। অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় জানান সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে যাহাতে হয় সে বিষয়ে আমি তাদেরকে বলে দেব।এনজিও কর্মকর্তাদের গাফিলতি, অনুষ্ঠান সঠিক ভাবে পরিচালনা ও অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের সঠিক বাজেট বুঝে পাইতে পারে সেজন্য এনজিওর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

add-nolta

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com