ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের ০২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য জি.এম. আবুল বাশারের কাছ থেকে দোকানঘর বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিন লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগে করে ওই টাকা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কার্যালয়ে গ্রহণ করেন নায়েব আশরাফুজ্জামান।
অভিযোগকারী দাবি করেন, নির্ধারিত সময় পার হলেও দোকানঘর বরাদ্দ না পেয়ে তিনি টাকা ফেরত চাইলে তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে দিনের পর দিন টালবাহানা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, সরকারি সম্পদ বরাদ্দকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনিয়ম প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নায়েব আশরাফুজ্জামানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাশেদ হোসাইনের সাথে কথা বলে জানতে পারি- নায়েবের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।