সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় বার্ষিক ওরছ শরীফের প্রথম দিন অতিবাহিত আজ সোমবার ২য় দিন। পীরে কামেল বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দেদ,অবিভক্ত বাংলা ও আসামের শিক্ষা বিভাগের সরকারি পরিচালক,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা সংস্কারক,প্রখ্যাত সাহিত্যিক,সমাজসেবক,অত্নাধিক সাধক,সমাজ সংস্কারক, জ্ঞান তাপস, মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত,মুক্তবুদ্ধিও সম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনার অধিকারী,মনু চিকিৎসক ঐতিহাসিক, দার্শনিক,”স্রষ্টার এবাদত ও সেবা”এই ব্রত নিয়ে চলা নলতা কেন্দ্রীয় আহসানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা সুলতানুল আউলিয়া আফতাব গাউছে জামান আরেফ বিল্লাহ হযরত শাহ্ সুফি আলহাজ্ব খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ (র:)এর ৬১তম বার্ষিকী তিন দিনব্যাপী ওরস শরীফ নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় পাক রওজা শরীফ প্রাঙ্গনে যথাযোগ্য ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে প্রথম দিন অতিবাহিত হয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু হয়েছে।
এই মহান পবিত্র ওরছ শরীফ উপলক্ষে অপরূপ সাজে সাজানো হয়েছে নলতা শরীফকে। পবিত্র রওজা শরীফ না না ধরনেরআলোর ঝলকানি আর রওজা শরীফ প্রাঙ্গনে বহুবিধ ফুল গাছগুলো সুশোভি তো আর সুগন্ধ ছড়িয়ে জানান দিচ্ছে নলতা শরীফের সুগন্ধির আবহ। দেশ-বিদেশের বহু এলাকা হতে হাজার হাজার ভক্ত লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীদের পদধারে প্রকল্পিত এবং উজ্জীবিত নলতা শরিফ। দেশের বিভিন্ন জেলা হতে দলে দলে লোক আসছে শরীফে।নলতা কেন্দ্রীয় আহসানিয়া মিশন কর্মকর্তাদের ধানে পবিত্র ওরশ শরীফের দেশের বিভিন্ন স্থান ও বিদেশ থেকে আগত পীর কেবলার হাজার হাজার ভক্তদের আবাসন, খাওয়ার জন্য গেস্ট হাউস সহ অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে।
গত কয়েক দিন যাবত নলতা শরীফ সহ আশেপাশের এলাকার গ্রামগুলোতেও আত্মীয় স্বজনরা চলে এসেছে। নলতা আহছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে পবিত্র ওরছ শরিফে তৈরি করা হয়েছে সু বিশাল সামিয়ানা, গেট,প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা।পাক রওজা এলাকা সংলগ্ন আনুমানিক ছয় কিলোমিটার এলাকাব্যাপী জনস্রোত বইছে।
সেই সাথে বহুবিধ পণ্য সামগ্রী বসেছে ছোট বড় দোকান। মনোহরি হতে শুরু করে গৃহস্থলী, ইলেকট্রিক, বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রী শোভা পাচ্ছে নলতা শরীফে।আইনশৃঙ্খলারক্ষারী বাহিনী, রোভার স্কাউট,স্বেচ্ছাসেবক,যানবাহন রাখার সুব্যবস্থা,হৃদয় আহছান,বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, প্রসার বিভাগ,সাংবাদিক স্টল, মিলাদ শরীফের স্টল, অ্যালটমেন্ট কক্ষ,রক্ষণশালা সহ নানা বিষয়ে নলতা শরীফসহ আশেপাশের এলাকায় ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য পরিবেশ বিরাজ করছে।