সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, নজিরবিহীন স্বেচ্ছাচারিতা এবং কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জেরে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ভোররাতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবিরের পলায়নের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে চরম উত্তাপ ও তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। বর্তমানে আইটি শিক্ষক শিমুল হোসেন সাময়িকভাবে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া তো দূরের কথা, ক্যাম্পাস এখন দুর্নীতিবাজ চক্রের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পলাতক অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে পরিচিত ভলান্টিয়ার শিক্ষক জাহিদ হাসান এবং জুনিয়র শিক্ষক নিয়াজ মাহমুদের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং পূর্বের সব দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, যখন দুর্নীতির হোতা ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনি বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, ঠিক তখনই প্রতিষ্ঠানের একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল শিক্ষক প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসকে মাত্র দুই দিনের নোটিশে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করে পটুয়াখালীর গলাচিপার মতো প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। সৎ শিক্ষকের ওপর প্রশাসনের এই অন্যায্য ও অমানবিক বদলির খড়্গ নেমে আসায় সাধারণ মানুষ, অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বলছে।
সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পলায়নের পর থেকেই নিয়াজ মাহমুদ ও জাহিদ হাসান নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন। এর আগে জাহিদ হাসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের একটি প্রজেক্টর নিজের ব্যক্তিগত জিম্মায় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সংবাদপত্রে এ সংক্রান্ত অনুসন্ধানী খবর প্রকাশিত হলে চরম তোলপাড় সৃষ্টি হয় এবং তিনি প্রজেক্টরটি কলেজে ফেরত দিতে বাধ্য হন। এই চুরির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকেই জাহিদ হাসান সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর প্রচণ্ড ক্ষোভ ও আক্রোশ দেখাচ্ছেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শীঘ্রই কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সামগ্রিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে। এই আসন্ন তদন্ত থেকে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং অপরাধ লুকাতে অভিযুক্ত জাহিদ ও নিয়াজ সিন্ডিকেট মাঠে নেমেছে। তারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত ছক অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর বিভিন্ন কোমলমতি শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে টার্গেট করছে। এরপর অফিস কক্ষে ডেকে বা নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে, একাডেমিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক নিজেদের ও পলাতক অধ্যক্ষের পক্ষে মিথ্যা ভিডিও বক্তব্য ধারণ করতে বাধ্য করছে। এই জঘন্য ও অনৈতিক ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আর চুপ করে থাকেনি। তারা সরাসরি আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দায়ের করে। শিক্ষার্থীদের সাহসী পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয় থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, ভলান্টিয়ার শিক্ষা সহযোগী জাহিদ হাসানকে দ্রুতই এই কলেজ থেকে সম্পূর্ণ বহিষ্কার বা বের করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুনিয়র শিক্ষক নিয়াজ মাহমুদকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হবে যেন তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে কোনো রূপ খারাপ আচরণ বা একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো বাধা সৃষ্টি করতে না পারেন।
প্রতিষ্ঠানের এই চরম অরাজকতার মধ্যেই এক ন্যাক্কারজনক অধ্যায় রচিত হয়েছে শিক্ষক প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসের আকস্মিক বদলির মাধ্যমে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসের বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ ও অত্যন্ত গুরুতর অসুস্থ বাবা-মা রয়েছেন। তাঁদের প্রতিদিনের ওষুধ, খাবার ও নিয়মিত সেবাযত্নের একমাত্র ভরসা ও অবলম্বন এই শিক্ষক। তাঁর মতো একজন সৎ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকের পারিবারিক বাস্তবতা ও চরম মানবিক পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে এই আকস্মিক স্ট্যান্ড রিলিজ কতটা যৌক্তিক ও মানবিক তা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এখন কাঠগড়ায়। সচেতন মহলের প্রশ্ন, দুর্নীতিবাজদের আড়াল করতেই কি এই সৎ শিক্ষককে বলির পাঁঠা বানানো হলো? বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা যখন চোর ও দুর্নীতিবাজদের তাড়াতে আন্দোলন করছি, তখন আমাদের পাশে থাকা সৎ শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। আর যারা চোরদের দোসর, তারা এখনো ক্যাম্পাসে বুক ফুলিয়ে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নেব না।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গণধোলাই ও ছাত্র-জনতার ক্ষোভের মুখে ভোররাতে পালিয়ে যাওয়া বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির এখনো অসুস্থতার ভান করে দূর থেকে পুরো কলেজের কলকাঠি নাড়ছেন এবং পুনরায় কলেজে ফিরে আসার কুৎসিত পাঁয়তারা করছেন। জাহিদ ও নিয়াজের মতো দুই দুর্নীতিবাজ সহযোগীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি একদিকে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যারিয়ারের ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ সম্পূর্ণ ধ্বংসের শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মানবিকতা ও ন্যায়বিচার যদি প্রশাসনের দরজায় এভাবে বারবার হোঁচট খায়, তবে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা কোথায় দাঁড়াবে? সচেতন মহল ও আন্দোলনরত ছাত্রসমাজ অবিলম্বে শিক্ষক প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসের অন্যায্য ও অমানবিক বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, প্রতিষ্ঠানে বিরাজমান সব অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও কঠোর তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি তুলেছেন। অন্যথায় আগামীতে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পলাতক অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে পরিচিত ভলান্টিয়ার শিক্ষক জাহিদ হাসানের ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণের মাধ্যমে পলাতক অধ্যক্ষের দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়াজ মাহমুদ, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটোমোবাইল এন্ড অটো-ইলেক্ট্রিক্যাল বেসিক্স) তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো বা জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করার যে কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করা বা কোনো নোংরা রাজনীতির সাথে জড়ানো আমার কাজ নয়। ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতির পর কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে মাত্র। আমি সবসময়ই সাধারণ শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের পক্ষে। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের যেকোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির তদন্ত করার পূর্ণ এখতিয়ার প্রশাসনের রয়েছে। জেলা প্রশাসন বা অধিদপ্তর যে তদন্ত কমিটি গঠন করছে, তাকে আমি স্বাগত জানাই। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন বলির পাঁঠা না হয়, সেটাই আমার কাম্য। প্রতিষ্ঠানের জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে আমি সবসময়ই প্রশাসনের নিয়মকানুন মেনে দায়িত্ব পালন করেছি এবং আগামীতেও তদন্ত কমিটিকে সব ধরণের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।
প্রতিষ্ঠানের চলমান অস্থিরতা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এবং অ্যাকাডেমিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের সাময়িক দায়িত্ব পালনকারী মোঃ শিমুল হোসেন, ইন্সট্রাক্টর (আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস) তিনি বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি হলো তার শিক্ষার্থীরা এবং প্রধান লক্ষ্য হলো নির্বিঘ্নে পাঠদান সচল রাখা। আকস্মিক উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে আমি সাময়িকভাবে প্রতিষ্ঠানের রুটিন দায়িত্ব পালন করছি। আমার প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হলো ক্যাম্পাসে যেকোনো মূল্যে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের মনে তৈরি হওয়া নিরাপত্তাহীনতা দূর করা। শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং প্রজেক্টর বিতর্কের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের সরকারি সম্পদ বা শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো ধরণের অন্যায় চাপ প্রয়োগের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। জেলা প্রশাসন ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করতে যাচ্ছেন, আমরা তাকে স্বাগত জানাই। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটিকে আমরা সব ধরণের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সহযোগিতা প্রদান করব। কোনো ব্যক্তিবিশেষের দায় এই প্রতিষ্ঠান নেবে না। আমি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করতে চাই, ক্যাম্পাসে কোনো অনৈতিক ও নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। শিক্ষক প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসের বদলির মানবিক বিষয়টি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো আমরা যথাযথ নিয়ম মেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে তুলে ধরব, যাতে দ্রুতই এখানে একটি সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরে আসে।
এ বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিদর্শক ও আঞ্চলিক পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুসান্ত কুমার সাহার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের এই নজিরবিহীন অরাজকতা ও অস্থিরতার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল হক অত্যন্ত গঠনমূলক ও কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কোনো ধরনের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা বা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পরিবেশ বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ড বরদাশত করবে না। কালিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলের সার্বিক পরিস্থিতি আমাদের নজরে এসেছে। জেলা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের যে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে, তার রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সে তিনি পলাতক অধ্যক্ষ হোন কিংবা তাঁর কোনো সহযোগী হোন।
শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণের অভিযোগ প্রসঙ্গে পরিচালক আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বা ভয় দেখিয়ে কোনো অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। যদি কোনো শিক্ষক বা বহিরাগত ভলান্টিয়ার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের হুমকি দিয়ে থাকে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক বিভাগীয় ও আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কোনো দুর্নীতিবাজের ঢাল হিসেবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে দেব না। এছাড়া শিক্ষক প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসের বদলি এবং সার্বিক অস্থিরতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রতিষ্ঠানের চেইন অব কমান্ড ও সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অধিদপ্তর দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।