মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
Notice :
দৈনিক সাতক্ষীরার তথ্য

কালিগঞ্জ টেকনিক্যালে একাই একশ! অভিযোগের কেন্দ্রে হুমায়ুন কবির

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ / ১০৮৪ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতা, মানসিক নির্যাতন, প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক দুর্নীতির একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দাবি, তার আচরণ ও কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রায়ই শিক্ষক ও কর্মচারীদের তুচ্ছ বিষয়েও শোকজ দেওয়ার ভয় দেখান। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ৩৮তম বিসিএস থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা প্রীতি সুন্দর বিশ্বাসকে শোকজ প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। একইভাবে ইন্সট্রাক্টর আজিয়ার রহমানকে বাইরের অতিথিদের সামনে অপমানজনক ভাষায় তিরস্কার করা হয় এবং প্রতিবাদ করায় তাকেও শোকজ করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, প্রায় প্রতিটি সভায় তিনি শোকজ ও বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর)-এ বিরূপ মন্তব্য দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করেন।

এতে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র মানসিক চাপ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের সাবেক অফিস সহায়ক মোহাম্মদ রুবেল আলী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মানসিক চাপে চরমভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এমনকি আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়ে একটি লিখিত নোট লেখার চেষ্টাও করেছিলেন বলে সহকর্মীরা দাবি করেন। পরবর্তীতে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। আউটসোর্সিং কর্মচারীদের প্রতিও তার আচরণ অমানবিক ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের গায়ে হাত তোলা, মানসিকভাবে হেনস্তা করা এবং চাকরি চলে যাওয়ার ভয় দেখানো ছিল নিত্যদিনের ঘটনা বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রায়ই প্রকাশ্যে সাতক্ষীরা ও কালিগঞ্জ অঞ্চলের মানুষকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের সামনেও স্থানীয় জনগণ সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষকদের অপমান করায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও শিক্ষকদের প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরি হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আরও অভিযোগ রয়েছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে বিশেষ করে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে ঘনঘন সভা ডাকায় একাধিক ক্লাস বন্ধ থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একটি গুরুতর অভিযোগে বলা হয়, অষ্টম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীকে তুচ্ছ কারণে হিজাব খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল। এ ঘটনার পর জান্নাতি নামের এক ছাত্রী বিদ্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।সম্প্রতি একাদশ শ্রেণির কতিপয় শিক্ষার্থীকে গোপনাঙ্গ কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ট্রেডের শিক্ষকদের দিয়ে ফাঁকা বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। কোনো শিক্ষক এতে আপত্তি জানালে তাদের মানসিক চাপ, ভয়ভীতি ও প্রকাশ্যে অপমানের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষক। এছাড়া সরকারি বরাদ্দের তুলনায় নিম্নমানের পণ্য ক্রয় করে উচ্চমূল্যের বিল দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কলেজের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার পর তিনি কলেজেই অবস্থান শুরু করেন। অথচ সরকারি বেতনের পাশাপাশি নিয়মিত প্রায় ২০ হাজার টাকা বাড়িভাড়া ভাতা গ্রহণ করছেন।

এছাড়া কলেজের টি-রুমকে ব্যক্তিগত রান্নাঘর হিসেবে ব্যবহার, গ্যাস সিলিন্ডার, চুলা ও অন্যান্য সরঞ্জাম কলেজের অর্থে ক্রয় এবং হিসাবরক্ষকের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কলেজে তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কক্ষ, রান্নাঘর ও সংশ্লিষ্ট আসবাবপত্র স্থাপনে কলেজের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিল-ভাউচার অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডার, গ্যাসের চুলা, রান্নার সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ে প্রায় ৩৯ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, এসব ক্রয়ের নথি ও বিল-ভাউচার তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এক হাজার লিটারের বেশি জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন সামগ্রীর ইনডেন্ট দেখিয়ে বিল-ভাউচার প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী অর্থবছরে ক্রয়কৃত পণ্য বর্তমান অর্থবছরে ক্রয় দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ইনডেন্ট বই, স্টক রেজিস্টার এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে দাবি তাদের। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজের প্রজেক্টর প্রতিষ্ঠানের বাইরে ভাড়ায় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত তোয়ালেগুলোর প্রকৃত মূল্য প্রতিটি প্রায় ২০০ টাকা হলেও বিল-ভাউচারে ১ হাজার ৪৫০ টাকা করে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই অনুষ্ঠানে বিরিয়ানি ও দইয়ের মূল্যও অস্বাভাবিকভাবে বেশি দেখিয়ে বিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিল-ভাউচার পর্যালোচনা করলেই এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব বলে দাবি অভিযোগকারীদের। সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

কলেজের অর্থে প্রায় ৩০০ লিটার জ্বালানি কিনে ব্যক্তিগত কাজে গাড়ি ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের মোটরসাইকেলও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাইস কুকার, টেলিভিশন, গ্যাস ওভেন, খাটসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত সরঞ্জামও অফিসের অর্থে কেনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগ রয়েছে, পূর্ববর্তী অধ্যক্ষের নিয়োগ দেওয়া দুইজন অফিস সহায়ককে ব্যক্তিগত রাঁধুনি ও গৃহকর্মীর মতো ব্যবহার করা হতো। বাজার করা, কাপড় পরিষ্কারসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজে তাদের নিয়োজিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের তিনটি বাথরুম ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগও তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব বাথরুম, ব্যক্তিগত ব্যবহারের কক্ষ এবং রান্নাঘরের আলোকচিত্র তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এসব অনিয়মের কারণে অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এসএসসি-২০২৬ ব্যবহারিক পরীক্ষায় নিজ বিভাগের বাইরে অন্য বিষয়ের এক্সটার্নাল পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অসাধুভাবে অর্থ উপার্জনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই পরিচালক ও উপপরিচালকদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং পুরো অফিসজুড়ে এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষককে আলাদাভাবে বিভক্ত করে ভয় দেখানো, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা এবং কিছু শিক্ষক-কর্মচারীকে আর্থিক প্রলোভন দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া নন-ভ্যাকেশন ডিপার্টমেন্ট হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন সময় ছুটি কাটিয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগও উঠেছে, যা সরকারি চাকরিবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে তাদের কাছে বিভিন্ন বিল-ভাউচার, ইনডেন্ট বইয়ের তথ্য, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র, ব্যক্তিগত ব্যবহারের কক্ষ, রান্নাঘর ও বাথরুমের আলোকচিত্রসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া কলেজের অর্থে গ্যাস সিলিন্ডার, গ্যাসের চুলা ও অন্যান্য রান্নার সরঞ্জাম ক্রয়ের প্রায় ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচারও তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।

অভিযোগকারীদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব নথি ও তথ্য যাচাই করলে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের স্বার্থে কেউ যদি আমার বিরোধিতা করে, সে বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। তাছাড়া আপনি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করার দরকার নেই। আসেন, চা খাই। চায়ের দাওয়াত রইলো।

এ বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিদর্শক ও আঞ্চলিক পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুসান্ত কুমার সাহা বলেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজকে ঘিরে যেসব অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে, সেগুলো লিখিতভাবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণসহ আমাদের কাছে উপস্থাপন করা হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি যেন অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও আমরা সতর্ক থাকব।

এ বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক বলেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুষ্ঠু প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করা অধিদপ্তরের অন্যতম অগ্রাধিকার। কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজকে ঘিরে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলো যদি লিখিতভাবে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ উপস্থাপন করা হয়, তাহলে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও নিশ্চিত করা হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মোঃ আক্কাস আলীর (অতিরিক্ত সচিব) ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল দিলে আলাপ কলটি গ্রহণ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

add-nolta

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com