মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
Notice :
দৈনিক সাতক্ষীরার তথ্য

সাতক্ষীরায় যক্ষারোগ প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কলেজ শিক্ষকদের সাথে নাটাবের মতবিনিময়

শেখ কামরুল ইসলাম: / ১৪৬ Time View
Update : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
কলেজ শিক্ষকদের ভুমিকা শীর্ষ জেলা মতবিনিময় সভা

 

সাতক্ষীরায় যক্ষারোগ প্রতিরোধ ও রোগী সনাক্তকরণে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কলেজ শিক্ষকদের ভুমিকা শীর্ষ জেলা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর দুইটায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে নাটাব সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাটাব সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. ডাক্তার মোঃ আঃ সালাম । বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের এম ও সিএস ডাক্তার জয়ন্ত সরকার, আশাশুনি সরকারি কলেজের (অব:) অধ্যক্ষ মোঃ হোসেন আলী, সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন নাটাব সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম। এ সময় যক্ষা বিষয়ক তথ্য উপস্থাপন করেন নাটকের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।


সাতক্ষীরা জেলার ৩০জন কলেজ শিক্ষকদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, ফুসফুসে যক্ষার প্রধান লক্ষণ হলো এক নাগাড়ে দুই সপ্তাহ বা তার অধিক সময় ধরে কাশি। নিয়মিত ও পূর্ণ মেয়াদের চিকিৎসায় যক্ষা সম্পূর্ণ ভালো হয়। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। অনিয়মিত ঔষধ সেবনের ফলে যক্ষ্মা রোগ স্থায়ী হতে পারে। এজন্য যক্ষা হলে কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। বক্তারা আরো বলেন, এক নাগাড়ে দুই সপ্তাহ বা তার অধিক সময়ে কাশি থাকলে, ক্ষুধা মন্দা, শরীরের ওজন কমে যাওয়া, রাতে জ্বর আসা, বুকে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট এমন লক্ষণ দেখা দিলে ফুসফুসে যক্ষা হওয়ার লক্ষণ। যক্ষারোগের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যক্ষা একটি জীবানু ঘটিত সংক্রামক রোগ।

 

একনগাড়ে দুইসপ্তাহ বা তার অধিক সময়ে কাশি থাকলে কফ পরীক্ষায় রোগ সনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত সঠিক মাত্রায় ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঔষধ সেবনের মাধ্যমে যক্ষা সম্পূর্ণ ভালো হয়। হাঁচি, কাশি দেওয়ার সময়ে রুমাল ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশের সকল জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক সমূহে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা ও যক্ষা চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। বাংলাদেশ সরকার যক্ষারোগীর জন্য সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চিকিৎসার সমস্ত ঔষধ বিনামূল্যে বহন করে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সচেতনতার অভাবে যক্ষ্মা রোগী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য ৫ বছরের সকল শিশু এবং ৬০ বছরের উপরে সকলকে যক্ষ্মা প্রতিরোধি চিকিৎসা (টিপিটি) গ্রহণ করতে হবে।

add-nolta

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com