জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পাঁচিল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গত ১১মার্চ মঙ্গলবার রাত ৯.৩০এ শহরের যোগরাজপুরে ঘটে।
সাতক্ষীরা সদর থানায় যোগরাজপুরের মৃত বরকতুল্লাহ সরদারের ছেলে আব্দুল লতিফের দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,
যোগরাজপুর মৌজায় খতিয়ান নং- ৩৯৩, দাগ নং- ৭৫৪১ সহ অন্যান্য দাগে ৩.৫৭ একর জমি যাহা তাদের সম্পত্তি। বাদীর ভিটাবাড়ীর সীমানা নিয়ে প্রতিপক্ষ- ১। মোঃ হাবিবুল্লাহ মোড়ল (৭৮) পিতা- মৃত ইন্তাজ মোড়ল, ২। মোঃ শামছুজ্জামান (৫৭), ২। মোঃ শাহিদুজ্জামান (৩০), উভয় পিতা- মোঃ হাবিবুল্লাহ মোড়ল, ৪। মোঃ মোশারফ হোসেন লালু (৫০) পিতা- আমান উল্লাহ মোড়ল, সর্ব সাং- যোগরাজপুর, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরাদের সহিত বিরোধ চলে আসছে। একপর্যায়ে বাদী আমিন দ্বারা উভয় পক্ষের লোকজন ঘরোয়া ভাবে আপোশ মিমাংসায় বসিয়া সীমানা নির্ধারণ পূর্বক বসতবাড়ীর সুরক্ষার জন্য প্রাচীর নির্মানের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিটাবাড়ীর দক্ষিণ পাশ দিয়ে পাকা প্রাচীর নির্মান করিতে থাকে।
পাকা প্রাচীর নির্মান করার সময় বিবাদীরা গত ইং- ১১/০৩/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ৫.০০ টায় সময় আব্দুল লতিফদের বাড়ীর সামনে এসে বলে যে, রাতের মধ্যে নির্মানাধীন প্রাচীর ভেঙ্গে দিব বলে হুমকি প্রদান করে। বাদি আব্দুল লতিফ সহ তার অন্যান্য ভাইয়েরা মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে গেলে অনুমান ৯.৩০ ঘটিকার সময় নামাজ শেষে বাড়ী এসে দেখেন নির্মানাধীন প্রাচীর ভাঙ্গা। অনুমান ১৫/১৬ ফুট প্রাচীর ভাংচুর করে অনুমান ৫০,০০০/- টাকার ক্ষতিসাধন করে। বাদী আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ধারনা বিবাদীরা আমাদের প্রাচীর ভাংচুর করিতে পারে কারণ তাহারা গত রাতে আমার ভাই আব্দুর সহিদ এর নিকট মোবাইল করিয়া হুমকি দেয় যে, তাহারা আমাদের প্রাচীর ভাংচুর করিবে, বাধা দিলে মারধর করিবে, খুন জখম করিবে ইত্যাদি হুমকি দিয়াছিল। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য লোকজনদের জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্ত এসআই শামিম শেখ জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।