আদালতের বিচারাধীন সম্পত্তিতে গায়ের জোরে স্থাপনা করার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সূত্র ধরে হত্যা চেষ্টারও অভিযোগ করেছেন বাদী ইয়াছিন আলী সরদার। ঘটনাটি গত শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ২:৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা সদরের গাভায় ঘটে।
সাতক্ষীরা সদর থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ‘গাভার মৃত সামছের আলী সরদারের ছেলে মোঃ ইয়াছিন আলী সরদার (৪৮) এর সাথে একই এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শাহিনুর জামান (৫৮), মৃত রাজাউল্লাহ সরদারের ছেলে মামুনার রশিদ (৪৭), মৃত আবুল হাসান সরদারের ছেলে শামীমুর রহমান (৪৯), শফিকুল ইসলাম (৪৫), অলিউল সরদার (৪২), মৃত সামছের আলী সরদারের ছেলে শাহাজুদ্দীন মাষ্টার (৬০), মোঃ মহাসিন সরদারের ছেলে মাসুদ রানা (ডালিম) (৪০) এর সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। ইয়াছিন আলী সরদারের অভিযোগ ওই সম্পত্তি বিবাদীদের নামে রেকর্ড নেই, দলিল নেই, গায়ের জোরে জমি দখল করার পাইতারা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। দেখা যায় উক্ত তপশীল বর্ণিত জমির সাতক্ষীরা সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড সংশোধনের জন্য মামলা চলমান আছে।
যার এস.এ খতিয়ান নং ৪০২ এবং এস.এ দাগ নং ২৩২, জমির পরিমান ৩৪ শতক। উক্ত ৩৪ শতক জমির বি.আর.এস রেকর্ডে ৪টি খতিয়ান ও ৪টি প্লট হয়েছে। দলিলের মালিকের ওয়ারেশের নামে ১৭ শতক বি.আর.এস রেকর্ড হয়েছে। এস.এ রেকর্ডীয় মালিকেরা দলিল গোপন রাখার কারনে দলিলের ওয়ারেশগন উক্ত ১৭ শতক সম্পত্তি এস.এ রেকর্ডীয় অনেকগুলো মালিকদের মধ্যে ভূল বশতঃ মাত্র দুই জনের নামে বি,আর,এস রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু বাকী ১৭ শতক জমি তাহাদের নামে রেকর্ড না হওয়ায় দলিলের ওয়ারেশরা বিজ্ঞ সহকারী দায়রা জজ আদালতে ৮৪/২৪ নং মামলা করে রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করে এবং এর জের ধরে বিবাদীরা ইয়াসিন আলীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে দখল করার পাইতারা করার চেষ্টা করিলে আমরা আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা চাইলে আদালত ১৫ দিনের কারন দর্শানোর নির্দেশ দেন। বিবাদীরা জানতে পেরে ইয়াসিন আলীকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা সহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
এরই মধ্যে ইং- ২৮/০২/২৫ তারিখে রাত্র অনুঃ ২.৪০ ঘটিকায় হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাড়ীতে ঢুকিয়া পড়িলে ইয়াসিন টের পাইলে দুই তলার উপর থেকে বিবাদীরা লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে বিবাদীরা হত্যার হুমকি দিচ্ছে।’ তবে এসব অভিযোগের বিবাদীদের মধ্যে মৃত রাজাউল্লাহ সরদারের ছেলে মামুনার রশিদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান ওখানে আমাদেরও জমি আছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক এ বিষয়ে জানান, ‘তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’