বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
Headline :
মাদক-অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ নন: শাহ আলম নারী কেলেংকারীতেও জড়িত  আটুলিয়ায় জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা গাবুরায় বেড়িবাঁধ নির্মাণে দৃশ্যমান অগ্রগতি আশাশুনিতে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রয়ের অপরাধে ব্যবসায়ীর এক সপ্তাহ ব্যবসা বন্ধ দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি, সভাপতি রায়হান – সম্পাদক অর্ঘ্য সাতক্ষীরায় লিচুর নামে ক্রেতা ঠকানোর অভিযোগ ডুমুরিয়ায় গরুর মাংস, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম চড়া, বাজার তদারকিতে ইউএনও সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন বিরোধী দল থেকে সংসদে একজনই মুক্তিযোদ্ধা গাজী নজরুল ইসলাম: বললেন স্পিকার
Notice :
দৈনিক সাতক্ষীরার তথ্য

চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের ‘আশীর্বাদে’ রেশন কার্ডে ১০০ টাকার টোল!

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ / ৮২২ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ২ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির রেশন কার্ড প্রদানকে কেন্দ্র করে অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান, ডিলার ও গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। হতদরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগে বিষয়টি ঘীরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা মাছুম বিল্লাহ (৩৫) বলেন, তিনি পেশায় একজন দিনমজুর এবং সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় একটি রেশন কার্ড (নং-৯০৩) প্রাপ্ত হই। সম্প্রতি ডিলার পরিবর্তনের কথা বলে নতুন কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অত্র ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ শেখ রেজা উদ্দীন তার কাছ থেকে ১’শ টাকা আদায় করেন। পরে অনুসন্ধানে তিনি জানতে পারেন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশে ডিলার মোঃ তামিম আল আরাফাত, মোছাঃ রেহানা খাতুন, ছফির উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্টরা ইউনিয়নের ১ হাজার ৬’শ ৬৯ জন কার্ডধারীর কাছ থেকে একইভাবে জনপ্রতি ১’শ টাকা করে আদায় করেছেন। এতে মোট আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯’শ টাকা। ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি বিধি অনুযায়ী রেশন কার্ড পেতে কোনো ধরনের ফি নেওয়ার নিয়ম নেই। অথচ ধুরন্ধর চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় একটি চক্র অসহায় মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে এই অর্থ আদায় করেছে।

তারা অভিযোগ করেন, বর্তমানের ডিলারদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও ছিলো চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। অনেক ক্ষেত্রে ডিলাররা নিজ নিজ ওয়ার্ডের বাইরে গিয়ে চাউল বিতরণ করছেন এবং তাদের কোনো নির্ধারিত গুদাম বা সংরক্ষণ ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে একটি অভিযোগ করেছে বলে মনে করছি। অন্যদিকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পিকুল হোসাইন জানান, টাকা উত্তোলনের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা হোক।

add-nolta

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com