শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
Notice :
দৈনিক সাতক্ষীরার তথ্য

কৃষ্ণনগরে বৃদ্ধের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি

শিমুল হোসেন, কালিগঞ্জ: / ৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে। চোরেরা ঘরের ছাদ দিয়ে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৩ লাখ ৭ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গোলাম মোল্লা (৮০)। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মোজাম্মেলের ছেলে মো. আসাদ এবং হাফিজুল ইসলামের ছেলে মো. সালাউদ্দীনের নাম উল্লেখ করে কালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।সোমবার (১০ আগস্ট-২০২৬) সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে গোলাম মোল্লা বাড়ি থেকে সাতক্ষীরায় বেড়াতে যান। পরে ৩০ জুলাই সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি দেখতে পান,বসতঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ও মালামাল এলোমেলো এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

পরে খোঁজ নিয়ে তিনি দেখতে পান, খাটের নিচে তোষকের তলায় রাখা নগদ ৮ হাজার ৫০০ টাকা, প্রায় দেড় ভরি ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, একটি ওয়াইফাই রাউটার,একটি মোটরসাইকেলের হেলমেটসহ বিভিন্ন মালামাল এবং কয়েকটি তালার চাবি নেই।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা বাড়ির ছাদ দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে এসব নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। ঘটনার পর চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, মোজাম্মেলের ছেলে মো. আসাদের কাছে তার মোটরসাইকেলের হেলমেটটি পাওয়া গেছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদ দাবি করেন, হেলমেটটি তিনি হাফিজুল ইসলামের ছেলে মো. সালাউদ্দীনের কাছ থেকে কিনেছেন।

এ তথ্য জানার পর চুরি যাওয়া অন্যান্য মালামালের বিষয়েও সালাউদ্দীনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন অভিযোগকারী।অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সালাউদ্দীন এলাকায় চুরি ও বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে তার সন্দেহ রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে করা এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।একজন প্রবীণ নাগরিকের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার বসতঘরে প্রবেশ করে নগদ অর্থ ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগটি এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে চুরির সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি যাওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, “অভিযোগটি হাতে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

add-nolta

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com