অনুসন্ধানে জানা যায়, আশরাফুজ্জামান সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে বিলাসবহুল এলাকায় প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা মূল্যের দুইতলা বাড়িসহ জমি ক্রয় করেছেন। একই সঙ্গে আমতলা মোড়ে আরও একটি দুইতলা বাড়ি ও দুটি দোকান কিনেছেন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, নিজের প্রকৃত আয় গোপন রাখতে তিনি শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের নাম ব্যবহার করে সম্পদ গড়েছেন। শহরের সুলতানপুর এলাকায় শ্বশুরের নামে প্রায় ৫ শতক জমিতে আমবাগান কেনা হয়েছে, যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে আটুলিয়া ইউনিয়নে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। নওয়াবেঁকী বাজার এলাকায় সরকারি পেরিফেরিভুক্ত জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘শাহাদাৎ’ নামে এক দালালের মাধ্যমে প্রতিটি প্লট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ভুয়া কাগজপত্রের আশ্বাস দিয়ে এ বাণিজ্য চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একজন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বেতন ও বৈধ আয়ের সঙ্গে বিপুল এই সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে জমা পড়লেও রহস্যজনক কারণে এখনো কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।