সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা এক নম্বর কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি’র সভাপতি নুরুল হকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি সহ বিস্তার অভিযোগ। সে মৃত আহমাদ সরদারে ছেলে। জানা গেছে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল হক জমি দখল থেকে শুরু করে চাঁদাবাজিতে এখন সবর। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ তুলে বলেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন ব্যাপী অবৈধ পন্থায় টাকার বিনিময় অন্যের জমি দখল চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজিতে নুরুল হক এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এই নুরুল হকের রয়েছে ভয়ংকর সক্রিয় একটি সিন্ডিকেট গ্রুপ। যেখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধ সেখানে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নুরুল হকের এই গ্রুপটি জমি দখলের কাজ করে থাকে।
এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে জোর করে চাঁদা আদায় করে থাকে নুরুল হকে সিন্ডিকেট। এলাকা নিরীহ মানুষ তাদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পায়। কেউ মুখ খুলতে চাইলে তাকে মারপিট সহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি সহ ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপি নেতা নুরুল হকে অপকর্ম করে এলাকায় ক্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। নুরুল হক এখন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের আতঙ্কের নাম । কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন বিএনপি নেতা নুরুল হক আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে চাঁদা দিতে না পারায় আমার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানটি তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়। অভিযোগের বিষয় বিএনপি নেতা নুরুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কিছুদিন আগে ওয়াড বিএনপির নির্বাচনে বিপুল ভোটে ব্যবধানে জয়লাভ করি।
আমার কাছে পরাজিত ব্যক্তিরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কাল্পনিক অভিযোগ দিয়েছে। আমি কোন চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত না। আমি দীর্ঘদিন ধরে শহীদ জিয়া আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি আমি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিক মিথ্যা মামলা জেল খেটেছি।
অভিযোগের বিষয় 1নম্বর কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভিন বলে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন কাল্পনিক একটি গল্প।