কালিগঞ্জের বন্দকাটি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজীর ডান হাত এনামুল হোসেন কে এলাকাবাসী আটক করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দিয়েছে । মাদক ব্যবসায়ী এনামুল প্রকাশ্য এলাকায় মাদক বিক্রি করে। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির ফলে উঠতি বয়সী কিশোর তরুণরা মাদকসেবন করছে। মাদকের টাকা যোগান দিতে তারা কিশোর গাং সৃষ্টি করে ছিনতাই ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ছে । প্রতিনিয়ত এসব মাদকসেবন কারী কিশোর গাং চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করে নিচ্ছে। গতকাল পাশের এলাকা কোমরপুরে এমন ঘটনা ঘটেছে। চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে নগদ টাকা স্বর্ণ অলংকার লুট করে নিয়েছে। মাদকসেবনকারী সন্তানদের পরিবারের অভিভাবকরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
মাদকসেবনকারী কিশোররা মাদকের টাকা না দিলে পিতা মাতাকে মারধর করে। সম্প্রতি ২৩ শে জুন কালিগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজী কে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করে তার আস্তানা থেকে। সেই অভিযানে ওবায়দুল্লাহ গাজীর ডানহাত এনামুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহল্লাহ গাজীকে জেল হাজতে প্রেরণ। মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজীকে জেল হাজতে প্রেরণ করায় এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে প্রায় হাজার মানুষের উপস্থিততে মানববন্ধন হয় বন্দকাটি গণ গোরস্থান মোড়ে ।
সেই মানববন্ধনে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মাদক ব্যবসায়ী এনামুল কে ধরিয়ে দেওয়ার পুরষ্কার ঘোষণা করে। কিছুদিন গাঁ ঢাকা দেওয়ার পর এনামুলের বস শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজী জামিনে এলাকায় ফিরে এলে এনামুল আত্মগোপন ছেড়ে প্রকাশ্যো আসে। এনামুল প্রকাশ্যে এসে আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। মাদক ব্যবসায়ী এনামুল কে পাওয়া মাত্র এলাকাবাসী তাকে ধরে উত্তম মাধ্যম দিয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তার পরিবারের জিম্মায় এলাকাছাড়ার শর্তে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের কাছে তুলে দেন।
এলাকাবাসী বলছে মাদক ব্যবসায়ী এনামুল এলাকা ছাড়লে কিছুটা হলেও মাদকের কবল থেকে রক্ষা পাবে উঠতি বয়সী কিশোর তরুণরা। মাদক ব্যবসায়ী এনামুলকে এলাকাছাড়ার নির্দেশনা দেওয়ার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।